শেখ কামালের কোনো হাওয়া ভবন ছিল না : কাদের


আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের আজ শনিবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবের কনফারেন্স লাউঞ্জে আয়োজিত শেখ কামালের জন্মদিনের আলোচনা সভায় বক্তব্য দেন। ছবি : ফোকাস বাংলা
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ‘একেকজন ক্ষমতায় গেলে হয়ে ওঠেন বিকল্প পাওয়ার সেন্টার। কিন্তু শেখ কামাল তেমন মানুষ ছিলেন না। তাঁর কোনো হাওয়া ভবন ছিল না। শেখ কামালের মধ্যে যেসব গুণাবলি ছিল তা তাঁর সমসাময়িককালের কারো মধ্যে আমি দেখিনি।’

আজ শনিবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবের কনফারেন্স লাউঞ্জে অনুষ্ঠিত শেখ কামালের জন্মদিনের আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এই মন্তব্য করেন। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বড় ছেলে শেখ কামালের ৬৯তম জন্মদিন উপলক্ষে এই আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।

সতীর্থ-স্বজন আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে ওবায়দুল কাদের আরো বলেন, শেখ কামাল পরবর্তী নির্বাচনের জন্য কাজ করেননি, তিনি কাজ করেছিলেন পরবর্তী প্রজন্মের জন্য।
ষোড়শ সংশোধনী বাতিল প্রসঙ্গে বিএনপিকে ইঙ্গিত করে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘কেউ কেউ সুপ্রিম কোর্টের ষোড়শ সংশোধনী বাতিল হওয়ায় মহাখুশি। এরা এভাবেই খুশি হয়। তারা  আশার আলো দেখছে। তাদের অন্য ইস্যু মরে গেছে, এই আশার আলো অচিরেই নিভে যাবে। জনগণকে সঙ্গে নিয়ে আসুন। ঘটনায় দুর্ঘটনায় ইস্যু খুঁজে লাভ নাই।’
‘ভারতে নরেন্দ্র মোদি যখন ক্ষমতায় এলো, তখন সকাল বেলা ফলাফলের আগেই ভারতীয় দূতাবাসে ফুল দিয়েছিল। আমেরিকার নির্বাচনের রেজাল্ট বের হওয়ার আগে বাংলাদেশে সব ফুলের দোকানে ফুল বিক্রি হয়ে যায়, মিষ্টির দোকানে মিষ্টি বিক্রি হয়ে যায়, হিলারি ক্লিনটন আসবেন বলে, ক্ষমতায় বসবেন বলে। তারা মনে করেছিল হিলারি ক্ষমতায় এসে তাদের ক্ষমতায় বসাবে। কিন্তু ক্ষমতার মালিক জনগণ। জনগণ ছাড়া কাউকে কেউ ক্ষমতায় বসাতে পারে না।’ বলেন ওবায়দুল কাদের।
৫৭ ধারা প্রসঙ্গে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘৫৭ ধারার অপপ্রয়োগ বন্ধ করতে হবে। এই প্রবণতা আত্মঘাতী।’
 
সাংবাদিক আবেদ খানের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় আরো বক্তব্য দেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক, আওয়ামী লীগের যুব ও ক্রীড়াবিষয়ক সম্পাদক হারুনুর রশীদ, জাতীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি শফিকুর রহমান প্রমুখ। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়।
সুত্র : এনটিভি

তুর্কি সশস্ত্র বাহিনী ঢেলে সাজালেন এরদোগান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : ভয়েস অফ বাংলাদেশ :

আঙ্কারা: তুর্কি সশস্ত্র বাহিনীর নতুন কমান্ড কাঠামোর অনুমোদন দিয়েছেন দেশটির তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোগান।
বৃহস্পতিবার রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম ‘তুর্কি রেসমি গেজেটের’ এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
তুর্কি সেনা বাহিনীর নতুন কমান্ডার ইন চিফ হিসেবে নিযুক্ত হয়েছেন ইয়াশার গুলের, নৌবাহিনীর কমান্ডার ইন চিফ হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন আদনান ওজবাল এবং বিমান বাহিনীর কমান্ডার হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন হাসান কুকুকাকুজ।
নতুন নিয়োগপ্রাপ্ত এই তিন প্রধান আগামী ৩০ আগস্ট কার্যভার গ্রহণ করবেন বলে খবরে বলা হয়।
এর আগে বুধবার তুরস্কের সুপ্রিম মিলিটারি কাউন্সিল দেশটির সশস্ত্র বাহিনীর নতুন এই কমান্ড কাঠামোটি অনুমোদন করে। তুর্কি প্রধানমন্ত্রী বিনালি ইলদিরিম কাউন্সিলের বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন।
গত বছরের ১৫ জুলাইয়ের সামরিক অভ্যুত্থানের প্রচেষ্টা পর তুরস্কের সশস্ত্র বাহিনী মধ্যে জেনারেল এবং অ্যাডমিরালের সংখ্যা প্রায় ৪০ শতাংশ হ্রাস করা হয়।
অভ্যুত্থানের প্রচেষ্টার আগে তুর্কি সশস্ত্র বাহিনীতে ২৩৬ জন জেনারেল এবং অ্যাডমিরাল ছিল এবং বর্তমানে তাদের সংখ্যা মোট ৯৬ জন।
সামরিক অভ্যুত্থানের প্রচেষ্টার পরে প্রায় ১৩,০০০ সৈন্য সংরক্ষিত রিজার্ভ কর্মকর্তাকে তুর্কি সশস্ত্র বাহিনীতে দায়িত্ব পালন করার জন্য ডাকা হয়েছিল।
ওই অভ্যুত্থান প্রচেষ্টায় ২৫৫ জনেরও বেশি তুর্কি নাগরিক নিহত হয়।
সূত্র: আজারনিউজ

তুরস্কে অভ্যুত্থান চেষ্টায় জড়িতদের বিচার শুরু


তুরস্কের রাজধানী আঙ্কারার বাইরে বিশেষভাবে তৈরি আদালতে গত বছরের ব্যর্থ অভ্যুত্থান চেষ্টায় জড়িতদের প্রায় পাঁচশ জনের বিচার শুরু হয়েছে। অভিযুক্তদের হাতকড়া পরিয়ে বিচারের জন্য নিয়ে আসার সময় এক নাটকীয় পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।
ওই অভ্যুত্থানে নিহতদের আত্মীয়স্বজন এবং প্রেসিডেন্ট এরদোগানের সমর্থকরা অভিযুক্তদের ধিক্কার জানাতে থাকেন। কেউ কেউ তাদের দিকে ফাঁসির দড়ি ছুঁড়ে মারেন।
তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোগানকে সরিয়ে দেয়ার উদ্দেশ্যে নিরাপত্তা বাহিনীর একটি অংশ ওই অভ্যুত্থানের পরিকল্পনা করেছিল। তারা ব্যর্থ হয়ে যাওয়ার পর দেশের প্রশাসন, নিরাপত্তা বাহিনী, ও শিক্ষাখাতে ব্যাপক শুদ্ধি অভিযান চালায় সরকার। হাজার হাজার লোককে চাকরিচ্যুত করা হয়।
এরদোগান সরকারের অভিযোগ, অভ্যুত্থানের পেছনে যুক্তরাষ্ট্রে নির্বাসিত নেতা ফেতুল্লাহ গুলেনের উস্কানি ছিল। তবে গুলেন সেই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।
গত বছরের জুলাই মাসে ঘটা ওই ব্যর্থ অভ্যুত্থানের সময় অন্তত দুইশ ৪৯ জন নিহত হয়। ব্যর্থ অভ্যুত্থানের সময় আঙ্কারার কাছে আকিনচি নামের একটি বিমান ঘাঁটিতে ঘটে যাওয়া কাণ্ড নিয়েই বিচার হবে।হজ
অভিযোগে বলা হচ্ছে, ওই বিমান ঘাঁটি থেকেই অভ্যুত্থান পরিচালনা হয়েছিল, এবং তুরস্কের পার্লামেন্টের ওপর বোমা ফেলার নির্দেশনাও সেখান থেকেই দেয়া হয়।
এ মামলায় গুলেনসহ বেশ কয়েকজন অভিযুক্ত আছেন। তাদের অনুপস্থিতিতেই বিচার শুরু হচ্ছে। (বিবিসি বাংলা)

ইয়েমেনে জাতিসংঘের ত্রাণ বিমানের জ্বালানি আটকে দিয়েছে সৌদি আরব


সানা: ইয়েমেনের রাজধানী সানায় জাতিসংঘের ত্রাণ নিয়ে যাওয়ার চেষ্টায় নিয়োজিত বিমানের জ্বালানি সরবরাহ আটকে দিচ্ছে সৌদি আরব।
জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচির কান্ট্রি ডিরেক্টর অউকি লুটসমা বলেছেন, ত্রাণবহনকারী দু’টি বিমান আম্মান এবং জিবুতি থেকে সানায় যায়; কিন্তু জ্বালানির অভাবে এখন বিমান দু’টি ইয়েমেনের রাজধানীতে আটকা পড়ে গেছে।
বিমান দু’টিকে জ্বালানি সরবরাহের জন্য সৌদি জোটের এবং ইয়েমেন সরকারের কাছ থেকে অনুমতি পেতে সমস্যা হচ্ছে বলে জানান তিনি। এ জ্বালানি ইয়েমেনের বন্দর নগরী এডেনের মাধ্যমে সানায় পাঠাতে হবে। এডেন নিয়ন্ত্রণ করছে রিয়াদ। ইয়েমেনে ত্রাণ তৎপরতায় সৌদি আরব বাধা দেয়ার অভিযোগ অনেক বার উঠেছে।
এদিকে ইয়েমেনে কলেরার ভয়াবহ প্রকোপ চলছে। পাশাপাশি সেখানে ম্যানিনজাইটিসের প্রকোপও দেখা দিয়েছে বলে জানিয়েছেন লুটসমা।
ইয়েমেন পরিস্থিতিকে ভয়াবহ উল্লেখ করে তিনি বলেন, দেশটিতে ম্যানিনজাইটিসের কয়েকজন নতুন রোগী পাওয়া গেছে।

কাতারকে ৫০০ কোটি ইউরো’র যুদ্ধজাহাজ দিচ্ছে ইতালি

ক্ষুদ্র উপসাগরীয় দেশ কাতার

সৌদি জোটের কাতারবিরোধী অবরোধের পর থেকেই নিজের নিরাপত্তা নিয়ে আরও সতর্ক হয়েছে কাতার। ওই অবরোধের পরপরই কাতারের কাছে ১২০০ কোটি ডলারের ৩৬টি এফ-১৫ যুদ্ধবিমান বিক্রির চুক্তি করে যুক্তরাষ্ট্র। এবার ইতালি থেকে ৫০০ কোটি ইউরো মূল্যের যুদ্ধজাহাজ সংগ্রহ করছে দোহা। বুধবার সফররত ইতালির পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যাঙ্গেলিনো আলফানোর সঙ্গে এক যৌথ সংবাদ-সম্মেলনে এ ঘোষণা দেন কাতারি পররাষ্ট্রমন্ত্রী।
কাতারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী শেখ মুহাম্মাদ বিন আবদুররাহমান আসসানি জানিয়েছেন, তার দেশ ইতালির কাছ থেকে ৫০০ কোটি ইউরো মূল্যের সাতটি যুদ্ধজাহাজ কিনবে। এ ব্যাপারে একটি চুক্তিও স্বাক্ষরিত হয়েছে।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এ ধরনের অস্ত্র চুক্তি কাতারকে সামরিক খাতে অত্যাধুনিক সক্ষমতা অর্জনে সহায়তা করবে। সূত্র: আল জাজিরা।

সামরিক ড্রোন তৈরি করেছে তুরস্ক : ভয়েস অফ বাংলাদেশ


তুরস্কের গবেষকগণ এবার ড্রোন তৈরিতে সাফল্য দেখালেন। তারা স্থানীয়ভাবে তৈরি একটি ড্রোনের সফল উড্ডয়ন পরীক্ষা সম্পন্ন করেছেন। ইস্তাম্বুল ভিত্তিক একটি কোম্পানি গত শনিবার এ পরীক্ষা পরিচালনা করেন।
অত্যাধুনিক সামরিক সুবিধাসম্পন্ন বিরাক্তার টিবি২ ড্রোনে রয়েছে ক্ষুদ্র ক্ষেপনাস্ত্র বহনে সক্ষম। যা নির্ভুলভাবে ৮ কিলোমিটার পর্যন্ত আঘাত হানতে পারে। তবে তারা আনুষ্ঠানিকভাবে বিরাক্তার নাম চূড়ান্ত করে নি। রেজিস্ট্রেশনের পর তারা নাম চূড়ান্ত করবে।
কোম্পানির মুখপাত্র আরও জানান, ড্রোনটি টানা ২৭ ঘণ্টা উড়তে সক্ষম। তা অভ্যন্তরীণ কাজে এবং বৈদেশিক মিশনে ব্যবহার করা যাবে।
প্রতারণার অভিযোগে ইউটিউবার আহসান হাবিব পেয়ার গ্রেফতার
এ পরীক্ষার মাধ্যমে তুরস্ক ড্রোন উৎপাদনকারী দেশগুলোর অন্তর্ভূক্ত হলো।
সূত্র : মিডলইস্ট মনিটর

এবার গরু মন্ত্রণালয় গঠনের প্রস্তাব ভারতে !

ভয়েস অফ বাংলাদেশ : ভারতের উত্তরপ্রদেশের লক্ষ্ণৌতে একটি সংবাদ সম্মেলনে বিজেপির সভাপতি অমিত শাহ জানিয়েছেন গরুর জন্য আলাদা মন্ত্রণালয়ের ভাবনা চিন্তা চলছে।
মি. শাহকে প্রশ্ন করা হয়েছিল, “সাধু সন্তদের একটা দীর্ঘদিনের দাবি ছিল পৃথক গো-মন্ত্রণালয়ের। ভারতীয় জনতা পার্টি যখন কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতায় রয়েছে, এ নিয়ে কি আপনারা ভাবনা-চিন্তা করছেন?”জবাবে মি. শাহ বলেন, “অনেক পরামর্শ, দরখাস্ত এসেছে। এ নিয়ে ভাবনা চিন্তা চলছে”।বিজেপি প্রেসিডেন্ট যখন এই কথা বলেন সেসময় তার পাশেই ছিলেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ যিনি বেশ কয়েকবছর আগেই গো-রক্ষার জন্য কেন্দ্রীয় সরকারের আলাদা মন্ত্রণালয় তৈরির দাবি জানিয়েছিলেন।ভারতের শুধুমাত্র একটি রাজ্যে গরুদের জন্য আলাদা মন্ত্রণালয় আর দপ্তর রয়েছে।
রাজস্থানের বিজেপি শাসিত সরকারের অধীনে গো-পালন মন্ত্রী, রাষ্ট্রমন্ত্রী এবং একটি নির্দেশনালয় রয়েছে।দুই মন্ত্রী ছাড়াও সেখানে ডিরেক্টর থেকে শুরু করে চতুর্থ শ্রেণীর কর্মী – সব মিলিয়ে ২৩ জন কাজ করেন।কেন্দ্রীয় সরকার আর অন্য সব রাজ্যেই গো-পালনের বিষয়টি প্রাণী সম্পদ বিকাশ দপ্তরের আওতাধীন।তবে কয়েকটি বিজেপি শাসিত রাজ্যে আইন করে গো-রক্ষা কমিশন তৈরি হয়েছে। তারা গো-পালন, গরু পাচার রোধ প্রভৃতি কাজ দেখাশোনা করে থাকে।হরিয়ানাতে আবার গো-রক্ষার জন্য পুলিশের একটি বিশেষ বাহিনীও রয়েছে।
কেন্দ্রীয় সরকার যদি গরুর জন্য আলাদা মন্ত্রণালয় তৈরি করে, তার কাজ কী হবে, কেমন হবে সেটির আকৃতি, তা নিয়ে অবশ্য এখনও কিছুই জানা যায় নি।
বিবিসি